• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arjun Singh

রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতর বৈঠকে হঠাৎ নির্মল! তারপরই মন্ত্রীর বিস্ফোরক বার্তা, ‘যেখানেই থাকুন, গ্রেফতার হবেন’

তোলাবাজির মামলায় অভিযুক্ত পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে আচমকাই দেখা যায় তাঁকে। এরপরই শুরু হয় জল্পনা। তবে ঋতব্রত শিবিরের দাবি, ওই বৈঠকে নির্মল ঘোষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আইন আইনের পথেই চলবে। তাঁর বক্তব্য, নির্মল ঘোষ যেখানেই থাকুন বা যে শিবিরেই থাকুন না কেন, প্রয়োজন হলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ তাদের কাজ করবে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে একের পর এক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। সেই তালিকায় উঠে আসে নির্মল ঘোষের নামও। তোলাবাজির মামলায় এক বার-কাম-হোটেলের মালিক গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই নির্মল ঘোষের খোঁজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। পুলিশ তাঁর মোবাইলের অবস্থানও খতিয়ে দেখছিল বলে সূত্রের খবর।এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ তপসিয়ার বৈঠকে নির্মল ঘোষকে দেখে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। যদিও ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁকে কেউ ডাকেনি। অন্যদিকে নির্মল ঘোষ দাবি করেন, তিনি আমন্ত্রণ পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন।পরে জানা যায়, ঋতব্রত শিবিরের তালিকায় থাকা নির্মল ঘোষ আসলে পশ্চিম মেদিনীপুরের এক শ্রমিক নেতা। নামের মিল থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তবে এই ঘটনায় পানিহাটির নির্মল ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং পুলিশ পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে খুন ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। অভিযোগ, মাঝ রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই খুন, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল?চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি সরাসরি তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। অর্জুনের দাবি, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা এবং পেশাদার খুনিদের দিয়েই এই কাজ করানো হয়েছে। তাঁর কথায়, খুব কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার সময় গাড়িতে তিনজন ছিলেন। একজন নিচু হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যান, তবে চালক এবং চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হন।অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কুদেব পণ্ডাও দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, দিনের পর দিন নজরদারি চালিয়ে তারপর চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচনে ফল খারাপ হওয়ার পরও শাসকদলের কোনও শিক্ষা হয়নি বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শঙ্কুদেব। তাঁর দাবি, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারীকে এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।এদিকে একই রাতে বসিরহাটেও বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে এক রাতেই পরপর দুই বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসি কাণ্ডে ১০০ কোটির ঘাপলা? সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই সামনে এল বড় অভিযোগ। প্রায় ১০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে বড় কোনও মাথা জড়িত রয়েছে এবং দ্রুত তদন্ত হওয়া দরকার।অর্জুন সিং বলেন, মাঠে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ স্পষ্ট ছিল। অনেকেই বলছিলেন, তাঁরা মেসিকে দেখতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, স্টেডিয়াম হয়তো প্রতীকী মূল্যে বুক করা হয়ে থাকতে পারে, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু সমস্যা হয়েছে অন্য জায়গায়। সাধারণ মানুষের আপত্তি ছিল জলের বোতলের দাম নিয়ে। ১০ টাকার জলের বোতল ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, মেসিকে কার্যত চুরি করে মাঠ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।অর্জুন সিং আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বলছেন, যাঁদের মাঠে দেখা গিয়েছে, তাঁদের দেখানোর নাম করে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। এই টাকার বড় অংশ আত্মসাৎ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, কী চুক্তি হয়েছিল, কোথায় ক্ষতি হয়েছে, সব কিছু সামনে আনা দরকার। এই কারণে দ্রুত ইডি তদন্ত হওয়া উচিত বলেও দাবি জানান তিনি।এ প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অর্জুন সিং। তাঁর প্রশ্ন, কেন ডিজি-কে হঠাৎ প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে উঠে যেতে হল। তাঁর কথায়, ডিজি আবেগের বশে কিছু কথা বলে ফেলেছিলেন। তারপর দুমিনিটের মধ্যেই তাঁকে প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে চলে যেতে হয়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসিকে দেখার জন্য কেউ চার হাজার, কেউ আট হাজার, আবার কেউ ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু বিশৃঙ্খলার কারণে মেসির এক ঝলকও দেখতে পাননি তাঁরা। ক্ষুব্ধ দর্শকরা পুলিশ এবং উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। স্টেডিয়ামের ভেতরে পরিস্থিতি রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। সরকারি সম্পত্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জানান, যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

ভোলার গাড়ি দুর্ঘটনা কি খুনের ফন্দি? শাহজাহান নয়—‘বড় মাথা’র নাম ঘুরছে রাজনীতির অন্দরে!

শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বসিরহাট আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন ভোলানাথ ঘোষ। সেই ঘটনায় বেঁচে গেলেও, ছেলেকে হারিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকেই ভোলানাথ অভিযোগ করেনএটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটা পুরো পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। কিন্তু সেই পরিকল্পনার নেপথ্যে কে? এই প্রশ্নে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বিস্ফোরক দাবি করেছেন, এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড নন শেখ শাহজাহান। তাঁর কথায়, এটা শাহজাহানের প্ল্যান নয়, এটা IPS-স্তরের এক বড় মাথার চক্রান্ত। সময় এলে সব বলব। তাঁর আরও দাবি, ভোলাকে খুন করার চক্রান্ত হয়েছিল। শাহজাহানের কপাল খারাপ, তাই ভোলা বেঁচে গিয়েছেন। কারণ তিনি সিটবেল্ট পরেছিলেন। না হলে আজ খুনের প্ল্যান সফল হয়ে যেত।অর্জুনের সবচেয়ে বড় অভিযোগএই চক্রান্তের নেপথ্যে পুলিশ। তিনি বলেন, এই যে নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করে গাড়ি ধাক্কা দেওয়া হয়েছে এটা পুলিশ ছাড়া সম্ভব নয়। মোবাইল টাওয়ার ট্যাক করা হয়েছে। একজন IPS আগেও শাহজাহানকে আত্মসমর্পণ করিয়েছিলেন। এবারও তাঁর মাথাতেই এই পুরো প্ল্যান। তিনি এও বলেন, শেখ শাহজাহানের সাত পুরুষের ক্ষমতা নেই এত বড় প্ল্যান করার।এই ঘটনার তদন্ত CBI বা ED-র হাতে তুলে দেওয়ার দাবি তুলেছেন অর্জুন সিং।এরই মধ্যে লরি চালক আলিম মোল্লার নাম বারবার উঠে আসছে। ভোলানাথ নিজেও সংবাদমাধ্যমে তাঁর নাম বলেছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়এত বড় ঘটনায় এখনও ন্যাজাট থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি পরিবারের তরফে। ছেলের মৃত্যুর পরও অভিযোগ দাখিলে দেরি কেননতুন করে সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

Bhatpara-Bombing: ফের অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

ফের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি। মঙ্গলবার সকাল নটায় অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে আবার বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ৮ ই সেপ্টেম্বরের পর ফের এদিন সকালের বোমাবাজির ঘটনায় প্রশ্ন উঠল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সোমবারই সাংসদের বাড়ির বাইরে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-কে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর মঙ্গলবার সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা।সূত্রের খবর, সোমবার রাতে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এনআইএ-এর এক কর্তা। গত ৮ ই সেপ্টেম্বর সাংসদের বাড়িতে বোমা মারার ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাংসদের পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এই ঘটনায় তদন্তে আসতে পারে এনআইএ। তারই মধ্যে আজই ফের বোমাবাজি। বাড়ির সামনে নো পার্কিং জোন। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় দুষ্কৃতীরা কিভাবে বারে বারে বোমাবাজি করে? নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সাংসদের পুত্র পবন সিংও।আরও পড়ুনঃ আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতাপ্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবারই সিআইএসএফ প্রহরার দেড় ফুটের মধ্যেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে এই প্রথমবার নয়, ভোট পরবর্তী পর্যায়ে জুলাই মাসেও অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজি হয়।এদিকে, ভাটপাড়ায় বারবার গুলি, বোমা এবং খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাদিন্দারা। দিনকে দিন বাড়ছে দুষ্কৃতীরাজ। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীরাও। স্থানীয়রাই বলছেন, ভাটপাড়া ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও আসতে ভয় পাচ্ছেন বলে অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

বুধবার সকালে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্যে করে বোমা ছোড়া হয়। বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। সাংসদের বাড়ির সামনে সিআরপিএফ প্রহরায় থাকাকালীন বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই হামলা হওয়ায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত করছে জগদ্দল থানার পুলিশ। ঘটনার সময়ে বাড়িতে ছিলেন না অর্জুন সিং। তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। সকাল ৬.৩২ মিনিটে বোমাবাজি হয় তাঁর বাড়ির গেটে। সিআরপিএফের বাংকার অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। পর পর ৩টি বোমা ছোড়া হয়। তবে বোমাবাজির কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও বোমা পড়েছে বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে। কিন্তু তাঁর বাড়িতে হামলা এই প্রথম। Wanton violence in WB shows no sign of abating.Bomb explosions as this morning outside residence of Member Parliament @ArjunsinghWB is worrisome on law and order.Expect prompt action @WBPolice. As regards his security the issue has been earlier been flagged @MamataOfficial. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) September 8, 2021অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে টুইটারে তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনখড় লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে হিংসার শেষ দেখা যাচ্ছে না। সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজি আইনশৃঙ্খলার পক্ষে উদ্বেগজনক। ঘটনার নিন্দা করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, গত আড়াই বছর ধরে এটা রোজকার ঘটনা। অর্জুন সিংয়ের মাথা নত করাতে না পেরেই এমনটা করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

এবার অর্জুন সিং ও তাঁর ভাইপোকে তলব সিআইডির

এবার সিআইডির নজরে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। আর্থিক জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে বিজেপি সাংসদকে তলব করল তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অর্জুনের দাবি, তিনি কোনওরকম প্রতারণাতে জড়িত নন। তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।ভাটপাড়া পুরসভা এবং ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের টাকা তছরুপের অভিযোগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি তাঁর ভাইপো সৌরভ সিংকেও হাজিরার নোটিস দিয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সব মিলিয়ে অর্জুনের বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রয়েছে। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত নটা নাগাদ সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছয় জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবনে। সেসময় বাড়িতে ছিলেন না ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। বাড়ির বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেন সিআইডি কর্তারা। কিন্তু তখনও অর্জুন না ফেরায় ভবানী ভবনের তরফে মজদুর ভবনের দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিয়ে আসা হয় সিআইডি তরফে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আর্থিক তছরুপের দায়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি। আগামী ২৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মূলত ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে অর্জুনের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে ভাটপাড়া পুরসভার টেন্ডার বেআইনিভাবে পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে। যে মামলায় আবার ইতিমধ্যেই পুরসভার এক কর্মী এবং এক ঠিকাদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। যদিও এখনই অর্জুনের গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা নেই। তাঁর দাবি, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে তাঁর। বিজেপি সাংসদের সাফ কথা, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে আমার। আমাকে ডাকতে পারে, কিন্তু গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতা।

মে ২১, ২০২১
রাজ্য

ভাটপাড়ায় দফায়-দফায় বোমাবাজি

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও বোমাবাজি তো কোথাও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। যেমন বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক ভাটপাড়া। দাপুটে সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনেও যাবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভাটপাড়ার ১৮ নং ওয়ার্ডে ৮ নং গলিতে এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়। ৮-১০টি বোমা পড়ে বলে অভিযোগ। সেই সময় এক বৃদ্ধ জখম হয়। উল্লেখ্য, এই এলাকাতেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি। বোমাবাজির সময় বাড়ি ছিলেন না সাংসদ। সন্ধেতে এলাকায় জগদ্দল থানার পুলিশ আসে। তাঁদের সামনেই ফের বোমাবাজি হয়। তখন ঘটনাস্থলে আসেন সাংসদও। অভিযোগ, সেই সময় অর্জুন পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এদিকে দ্বিতীয় দফা বোমবাজিতে এক ১৪ বছরের কিশোর জখম হয় বলে খবর।এদিকে ঘটনাটি যখন ঘটে সেই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছেন সাংসদ। সূত্রের খবর, আজ, বৃহস্পতিবার পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন অর্জুন সিং। বোমাবাজির ঘটনায় থমথমে গোটা এলাকা। রাতে ব়্যাফ নামানো হয়েছিল বলে খবর। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সাংসদের কথায়, তৃণমূলের দালালি করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থায় নিচ্ছে না তারা।

মার্চ ১৮, ২০২১
দেশ

এখনই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না , সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে বিজেপি

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় মুকুল রায়, অর্জুন সিংদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন অর্জুন সিং, মুকুল রায়-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। মামলাকারীদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক একাধিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এই মামলাগুলির তদন্ত সিবিআইয়ের মতো কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে করানো হোক। আরও পড়ুন ঃ বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার এদিন সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, বাংলায় এখন বিজেপিতে যোগ দেওয়াটাই ফৌজদারি অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যতক্ষণ পর্যন্ত পরবর্তী শুনানি হচ্ছে, ততক্ষণ মুকুল রায়, অর্জুন সিং-এর মতো বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। বক্তব্য জানতে চেয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিসকে নোটিশ দিল শীর্ষ আদালত। ৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রীরামপুরে বিজেপি নেতা কবীর শঙ্কর বসুকে হেনস্থার ঘটনায় সিআইএসএফের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। এবার ঘটনাস্থল নদিয়া জেলার গয়েশপুর। মৃতের নাম বিজয় শীল(৩৪)। পেশায় দিনমজুর ছিল সে। তিনি বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা ছিলেন। আমগাছের ডালে ফাঁস লাগানো অবস্থায় বিজয়ের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। বিজেপির অভিযোগ , বিজয় শীলকে গলায় ফাঁস দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের লো্কেরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল কল্যাণী বন্ধের ডাক দিল বিজেপি। এর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত থানা ঘেরাও করা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। জানা গিয়েছে , প্রতিদিনের মতো শনিবারও সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন বিজয়। কিন্তু রাত পেরলেও সে বাড়ি ফেরেনি। ফলে তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তা সত্ত্বেও খোঁজ মেলেনি বিকাশের। রবিবার সকালে স্থানীয়রা তাঁর দেহ আমগাছের ডালে ফাঁস লাগা অবস্থায় দেখতে পান। আরও খবর ঃ উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড় এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় লিখেছেন, একই কায়দায় ফের খুন হল বিজেপি কর্মী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাজ্যপালকে অনুরোধ , আপনি এই ধরণের ঘটনার বিচার করুন। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এই ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন , আগে রবিবার সকালে সকলে টিভি খুলে রামায়ণ ও মহাভারত দেখার জন্য অপেক্ষা করত। কিন্তু এখন টিভি খুলে সকলে রাজনৈ্তিক কর্মী খুনের খবর দেখতে পায়। বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে লিখেছেন , বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা বিজয় শীলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। টিএমসির গুন্ডাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা করে জানিয়েছেন , পশ্চিমবঙ্গে কিভাবে গণতন্ত্র ঝুলে আছে। প্রত্যেকটি জায়গায় একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের খুনের ধারা অব্যাহত। আমরা থামবো না, খুন হওয়া সমস্ত কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে বিজেপি!

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

১০ দিনের পুলিশি হেফাজত সঞ্জিত সিংয়ের

সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো সঞ্জিত সিং ওরফে পাপ্পু সিংকে শুক্রবার গভীর রাতেই গ্রেফতার করেছিল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ। শনিবার তাকে বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করা হলে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। অভিযোগ, ভাটপাড়া - নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় ধৃত সঞ্জিত সিং ওরফে পাপ্পু সাড়ে ১২ কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় জড়িত। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ওই নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের। ইতিমধ্যেই এই জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্যাংকের তত্কালীন এক শীর্ষকর্তা ও পাপ্পু সিংয়ের আপ্তসহায়ক। বর্তমানে তাঁরা জেলে রয়েছেন। তদন্তকারীরা জানান, ধৃতদের জেরা করে ব্যাংক জালিয়াতি সংক্রান্ত অনেক তথ্যই মিলেছে। যার উপর নির্ভর করে এই ঘটনায় আরও কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হতে পারে। আরও পড়ুন ঃ যদি গোল টুপি মাথায় থাকত তবে মারতে পারত? মন্তব্য দিলীপের এদিকে পাপ্পুর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ব্যারাকপুর গোয়েন্দা বিভাগ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে নোটিশ জারি করে ডেকে পাঠিয়েছিল। যেই ও দেখা করতে যায়, তখনই পুলিশ ওকে গ্রেপ্তার করে । তাঁর কথায়, পুলিশ এখন চাইছে আমার যত কাছের লোক আছে, হয় তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে নাহলে খুন করে ফেলবে । এদিন অর্জুন সিং দাবি করেন, মণীশ খুনের ঘটনায় সিআইডি তৃণমূল নেতাদের কথায় আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। সেইজন্য আমি বারবার সিবিআই তদন্তের দাবি করছি ।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

টিটাগড়ে খুন বিজেপি নেতা, ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক বিজেপির

ফের বিজেপি নেতা খুন। রবিবার ৪ অক্টোবর রাতে টিটাগড় থানার সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ মণীশ শুক্লাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে সোমবার ১২ ঘণ্টা ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়রা সোমবার মণীশ শুক্লার বাড়িতেও যাবেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, টিটাগড় থানার সামনে এই ঘটনায় পুলিশের উপর আর আস্থা নেই। অনেক দিন ধরেই অর্জুন সিং বলছিলেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অজয় ঠাকুরদের দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ও আমাদের দলের কর্মীদের মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছেন। অর্জুন-ঘনিষ্ঠ মণীশকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজয়বর্গীয় বলেন, পুলিশের সন্দেহজনক ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত। এমন নীচ কাজ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনগণ ক্ষমা করবে না। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগের দিনও কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন মণীশ। তাঁকে হত্যার ঘটনায় ব্যথিত অর্জুন সিং টুইটে লেখেন, এবার সীমা ছাড়াল। এর ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal